মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৪

_____  ‪#‎মামা_ও_বাটা_আছরেই‬  _____
ইকরাম মুনতাসির । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এবার আই বি এ কমপ্লিট করেছে । সুদর্শন ও বুদ্ধিমান ।মানুষকে আকৃষ্ট করার সব গুণই তার আছে ।কিন্তু বেচারা !ভার্সিটি লাইফ শেষ হয়ে গেলেও এখনও কোন প্রেম করতে পারে নি । এবং এ নিয়ে তার কোন চিন্তাও নেই । বন্ধুদের সে খুব কাছ থেকে দেখেছে।অনেকেই প্রেম করতে গিয়ে নানা জটিলতায় পড়েছে , যেগুলো সমাধান আবার মুনতাসিরকেই করতে হয়েছে ।তাই প্রেম বিষয়টা তার কাছে একটা অ্যালার্জীর মত!
মুনতাসিরের মামা জনাব সায়েম হাসান । বয়স ৫৫-৬০ । এখনো বিয়ে করেন নি । কারণ , একটি তিক্ত অভিজ্ঞতা ! মামা-ভাগ্নের সম্পর্ক দুই ভাইয়ের মত। তারা একে অপরের অনেক কিছুই জানেন , কিন্তু এ ব্যাপারটা সায়েম সাহেব ইচ্ছা করেই ভাগ্নেকে বলেন নি ।যখনি প্রসঙ্গ এসেছে , সায়েম সাহেব বেশ সামলে নিয়েছেন।
মুনতাসিরের মতই ভার্সিটিতে পড়ার সময় সায়েম কোন একটি মেয়েকে ভালবেসে ফেলেন।কিন্তু মেয়েটির অন্য জায়গায় বিয়ে হয়ে যায়। দুর্ভাগ্যক্রমে,তিনি পছন্দের কথাটাও বলতে পারেন নি।এই দুঃখে তিনি আর বিয়ে করেন নি । তিনি চান না ,তার ভাগ্নের বেলাতেও এমনটা ঘটুক ।তাই তিনি বার বার ভাগ্নের সাথে এই ব্যাপারটি এড়িয়ে গেছেন।
এবার মূল গল্পে আসা যাক।
সায়েম সাহেব থাকেন শ্রীলংকায়। ওখানে একটি বেসরকারি এন জি ও প্রতিষ্ঠানে বেশ ভাল অবস্থানে আছেন ।ভাগ্নে মুনতাসিরের যেহেতু এখন একটা সময় পাওয়া গেছে , মামা চান কয়েকদিন তাকে এনে এখানে রাখতে , তিনি সব ব্যবস্থা করে রাখলেন ।খবর শুনে ভাগ্নে তো এক পায়ে রাজি ।আর পায় কে ! ভিসা পাওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যেই মুনতাসির দে ছুট শ্রীলংকায়!
সায়েম সাহেব কলম্বোতে থাকেন।একটি বাংলোতে ।ছিমছাম পরিবেশ । এখানকার প্রকৃতি বেশ মনোহর । মুনতাসিরের মনে হল, এখানেই সারাটা জীবন কাটিয়ে দিলে কিন্তু মন্দ হত না!
সেদিন ডিনারে ,
-ভাগ্নে , কেমন লাগছে এখানে ?
-অসাধারণ মামা।
-হুম , তা তো লাগবেই।এখানকার সব কিছুই সুন্দর ।
-কিন্তু , মামা ।এত সুন্দর একটা জায়গা না ঘুরে দেখলেই নয়,আমি ত এখানকার কিছুই চিনি না।
-Dont worry ,deary !আমি তার ব্যবস্থা আগে থেকেই করে রেখেছি।একদল টুরিস্ট গাইড বুক করে রাখা হয়েছে তোমার জন্য ।
-কি বল ? মামা তুমি খুব ভাল ।
-হা হা হা । এখন খেয়ে তাড়াতাড়ি শুয়ে পড় ।কাল বেশ সকালে উঠতে হবে ।
-ok ,sir
-হু , সাথে DSLR টাও নিতে ভুল কর না । এখানকার জায়গা অসাধারণ ।চমৎকার ফটোগ্রাফি করতে পারবে ।
-কেন নয় ?
পরের দিন ,
-মুন্তাসির ,তাড়াতাড়ি উঠ ।দেখ , গাইড চলে এসেছে ।
মুন্তাসির এক লাফে উঠল ।
-চল মামা।
-একি ! ব্রেকফাস্ট না করেই ?
-সমস্যা নেই । ঘুরে দেখার সাথে কোন রেস্তোরাঁয় নাস্তাটা সেরে নেব ।
-আচ্ছা ,চল তাহলে ।
-হ্যাঁ ,চল।
মুন্তাসির দরজা পার হতেই দেখল দু জন গাইড দাঁড়িয়ে আছে । মামা কি তাহলে দুই জন কেই অ্যাপোয়েন্ট করেছেন নাকি ! এই মানুষটার কর্মকাণ্ড সে আজও বুঝতে পারে নি ।
-মুন্তাসির ,হ্যাঁ ,শোন ,আমি দু জন গাইড ঠিক করেছি , না না ,দুজনকেই থাকতে হবে না ।এরা পালা করে তোমাকে শহরটা ঘুরে দেখাবে ।
-ও !
-আর শোন , ইনি হলেন তোমার মেইন গাইড Ms.Adriana Salva !
মুন্তাসির একবার তাকাল । বেশ মিষ্টি চেহারা ত !কিন্তু সাথে সাথেই আবার মুখ ফিরিয়ে নিল ।
-hi !
-hello !
মেয়েটা হ্যান্ড শেক এর জন্য হাত বাড়াল ।আহা ! কি কচি হাত । মুন্তাসির যেন কোথাও হারিয়ে যাচ্ছে!
-আর ইনি তোমার সেকেন্ড গাইড ।Mr.Romenson !
-nice to meet u !
-nice to meet u too !
-আচ্ছা ,আজকে নিয়ম অনুযায়ী Romenson থাকছেন না ।সো ,আজ তোমার গাইড আদ্রিয়ানা।
-ঠিক আছে।
-তাহলে ভাগ্নে ,সুন্দর একটা ভ্রমণ হোক !
-সে কি ! তুমি কোথায় যাচ্ছ ?
-ভাগ্নে ,কিছু মনে কর না ।আজ না গেলেই নয়। খুব বড় একটা মিটিং পড়ে আছে ।
-কিন্তু , . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . আমি ত একা ।
-কোন সমস্যা নেই , ভাগ্নে। Adriana is so sincere and responsible .
-ঠিক আছে ।
-চলি।
মামার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে মুন্তাসির গাড়িতে গিয়ে বসল । মেয়েটা তার পাশেই বসল ।
-excuse me.
-yes.
-where do you want to visit at first ,sir ?
-well , as your wish ,because I am new here .
-ok ,sir ,thanks.
মেয়েটার সাথে কথা বলে ভালই লাগছে । কথা বলছে বেশ নিচু স্বরে। এটা তার খুবই পছন্দ।
আজ অনেকখানি দেখা হয়েছে । নিয়ম মতে কাল Romenson এর আসার কথা ।কিন্তু মুন্তাসিরের আদ্রিয়ানাকেই গাইড হিসেবে পছন্দ হয়েছে।তাই কোন একটা অজুহাতে তাকেই আবার গাইডে রাখতে চায় মুন্তাসির।
রাত ১২ টা ৩০ ,
মুন্তাসির ফোন দিল আদ্রিয়ানার কর্পোরেট নম্বরে ।
-hello!
-hello , this is muntasir , are you Ms. Adriana ?
-yes, but according to our rule ,Romenson is your today’s guide .
-but there are more things to see in colombo , so you should be continue .
-but ?
-please, Ms.Adriana !
-ok , i will see.
-thanks.
আজও আরেক অজুহাতে সায়েম সাহেব সাথে আসতে পারেন নি।
কিন্তু তাতে কি ! গাইডের সাথে মুন্তাসিরের সময় কিন্তু খারাপ কাটছে না।কারণ , গাইডের নাম আদ্রিয়ানা ! মামা ঠিকই বলেছেন ।আসলেই মেয়েটা sincere , চমৎকারও বটে। কি সুন্দর করেই না পুরো বিষয়টা সামলে নিয়েছে ! মেয়েটার বুদ্ধির প্রশংসা না করলেই নয় ।
দুই দিনে তাদের বেশ ভাল একটা সম্পর্ক তৈরি হয়েছে , সেটা অবশ্যই বন্ধুত্বের ।
মুন্তাসির এবার আদ্রিয়ানার পারসোনাল ফোন নাম্বারটাও নিয়ে নিয়েছে , মেয়েটার প্রতি তার একটা অদৃশ্য দুর্বলতা তৈরি হয়েছে ।সে ব্যাপারটা বুঝলেও মানতে পারছে না।
তৃতীয় দিন ,
যথারীতি আদ্রিয়ানাই থাকছে গাইড হিসেবে।এবার কিন্তু কোন অজুহাত দেখাতে হয়নি ।কারণ ,Romenson অন্য একটা জায়গায় শিফট হয়ে গেছেন।তাছাড়া এখন পর্যটন মৌসুম বলে সেকেন্ড গাইড পাওয়াও বেশ মুশকিল ।
আজ তারা যাবে সি বিচে । শ্রীলঙ্কার সি বিচ নাকি অনেক সুন্দর ।তাই না গেলেই নয়।
অনেকগুলো ছবি তুলে নিল মুন্তাসির ।সাথে আদ্রিয়ানা তো ছিলই ।
আদ্রিয়ানা ওর ফটোগ্রাফির বেশ ফ্যান হয়ে গেছে ।ও ছবিগুলো চাইল । মুন্তাসির বলল , কিন্তু তোমাকে দিব কিভাবে ?যদি ফেবু . . . . . . . . . .।
ছবি কিন্তু অন্য উপায়েই দেয়া যেত ,এবং সেটা খুব সহজই ছিল ।কিন্তু মুন্তাসির ওর সাথে আরও ঘনিষ্ঠ হতে চাইল। তাই এই বুদ্ধি।
আদ্রিয়ানারও কিন্তু বুদ্ধি কম নয় ।কিন্তু সে এতে কোন না করল না ।ব্যাপারটা মুন্তাসিরকে একটু অবাকই করল ।
সেদিন রাতে,
কি আজব! আদ্রিয়ানার কাছ থেকে একটা ফ্রেন্ড রিকু পেল মুন্তাসির । কিন্তু রিকু ত ওর নিজের পাঠানোর কথা ।মুন্তাসির বেশ অবাক। জিজ্ঞেস করে জানতে পারল যে মামা দিয়েছেন ।
৪র্থ দিন ,
আজকেই মুন্তাসিরের শহর দেখা শেষ হচ্ছে । গতকালই কিন্তু শেষ হয়ে যায়।আজ তারা যাবে চা বাগানে , নুওয়ারা এলিয়া তে । একে নাকি Little England বলা হয় । তাই আদ্রিয়ানা এটা মুন্তাসিরকে ঘুরে দেখাতে চায়।
শেষ দিন অনেকগুলো ছবি তুলল মুন্তাসির।চা বাগান , সাথে প্রকৃতির নানা উপাদান তো মিশে আছেই !এমন একটা জায়গায় এলে মন আপনা আপনি থেকে ভাল হয়ে যায় ।কিন্তু মুন্তাসিরকে দেখে সেটা মনে হল না । আদ্রিয়ানার সাথেই তার এটাই শেষ দেখা ভেবে খুব খারাপ লাগছে ।আদ্রিয়ানাও সে রকম কিছু ভাবছে কিনা কে জানে ! তাকে দেখেও খুব একটা হাসি খুশি মনে হল না !
সেদিন রাত ১১ টা ২৫ ,
স্কাইপে অনলাইনে ছিল মুন্তাসির । হঠাৎ নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারল না সে । এ যে দেখছি আদ্রিয়ানা ! ! সাথে সাথে রিকু পাঠাল , এবং সাথে সাথেই কনফার্ম !
সেদিন অনেক রাত ধরে কথা চলে । যেটুকু বুঝতে পারল মুন্তাসির , আদ্রিয়ানাকে বেশ অন্যমনস্ক মনে হচ্ছিল ।
কয়েক দিন পর ,
-হেই , ভাগ্নে , শ্রীলঙ্কা কেমন ঘুরে দেখলে ?
-মামা ,এখানকার সব কিছুতেই রয়েছে প্রকৃতির আশীর্বাদ ।
-শুধু কি প্রকৃতির আশীর্বাদ ? আর কিছু নয় ?
-আর কি ?
-আদ্রিয়ানা মেয়েটাকে কেমন লেগেছে ?
-হু , গাইড হিসেবে আমাকে অনেক সাহায্য করেছে ।
-আর ?
-আর কি থাকবে ?
-আর কিছুই নেই?
-না তো ।
মামা এটুকু বলেই চলে গেলেন । আজ কাল মামার কর্মকাণ্ড বেশ অদ্ভুত ঠেকছে ।
২ দিন পর রাতে,
-আদ্রিয়ানা , আমি তো চলে যাচ্ছি ।
-কোথায় ?
-কেন ? নিজ দেশে ।
-ও . . . . . . . . ।
আদ্রিয়ানার কথা শুনে মনে হল সে খুব বিব্রত , যেন যাওয়ার কথাটা বলে খুব বড় অন্যায় করে ফেলেছে মুন্তাসির ।
-আদ্রিয়ানা ?
-হু।
-আমি তো চলেই যাচ্ছি , তো যাওয়ার আগে যদি আরেকটা উপকার করতে ?
-কি ?
-দেখ , আমি যেখানেই যাই একটা স্মৃতি নিয়ে আসি ।তাই চাচ্ছিলাম এদেশ ছাড়ার আগে সিংহলিজ ভাষায় একটা বাক্য জেনে যেতে ।এবং সেটা অবশ্যই তোমার কাছ থেকে ।
আদ্রিয়ানা একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল । কিন্তু মুন্তাসিরকে বুঝতে দিল না ।
-আদ্রিয়ানা ?
-হু
-কিছু বলছ না কেন ?
-তুমি চলে যাচ্ছ কবে ?
-আগামীকাল
-ঠিক আছে ,তাহলে কালই না হয় বলি ?
-কিন্তু ?
-কিসের কিন্তু , আমি তো কাল এয়ারপোর্ট আসছি ।
-তুমি . . . . . কাল . . . . . . . . . এয়ারপোর্টে . . . . . . .আসছ ?
-হু
-ইয়াহু !
-কি?
-না কিছু না ,রাখছি তাহলে ,গুড নাইট
-ইয়াপ , গুড নাইট ।
পরদিন , এয়ারপোর্টে ,
-ভাগ্নে , চল , ফ্লাইটের সময় তো চলে এল।
-কিন্তু মামা ,একজনের তো আসার কথা ছিল ।
-কে ?
-আদ্রিয়ানা
-কি বলছ , আদ্রিয়ানা তো গতকালই ক্যান্ডিতে চলে গেছে । ওর ফ্যামিলি আছে সেখানে ।
-না মামা ,তুমি ভুল বলছ
-ভাগ্নে ,এখানে আসার পর আদ্রিয়ানাকে আমি ছোটবেলা থেকে চিনি ,ও এমনটা করবে না কখনো ।
-কিন্তু মামা ?
-তোমার ফ্লাইটের সময় হয়ে গেছে , এখুনি না গেলে কিন্তু ফ্লাইট মিস।
ঠিক তখনি মুন্তাসিরের মোবাইলে একটা এস এম এস এল । আদ্রিয়ানা পাঠিয়েছে ।যার বাংলা অনুবাদটা এরকম ,
“ প্রিয় মুনতাসির , তুমি গতকাল একটা অনুরোধ করেছিলে আমার কাছে । তোমাকে একটা সিংহলিজ বাক্য শিখিয়ে দিতে । তাহলে নাও , আমি শিখিয়ে দিচ্ছি - #মামা_ও_বাটা_আছরেই ”
বাক্যটা তার কাছে পরিচিত মনে হচ্ছে । হ্যাঁ , সে ধরতে পেরেছে । মামা বিদেশ যাওয়ার আগে মুন্তাসিরকে একটা কবিতার বই দিয়ে গিয়েছিলেন ,তার নিজের লেখা । তাতে একটা সিংহলিজ কবিতাও ছিল ,আর সেখানে এই বাক্যটা ছিল ।তার এখনও স্পষ্ট মনে আছে ।কবিতাটা প্রেমের ছিল না ? হ্যাঁ ,তাই তো ।কিন্তু অর্থটা মনে আসছে না কিছুতেই । কি যেন , কি যেন ? ও , মনে পড়েছে ! আমি তোমাকে . . . . . . . . . কি ?
এস এম এস পুরোটা পড়া হয় নি ।আর কি লিখেছে ও ? বাকি লেখা হল , তুমি যদি এটা বুঝে থাক তাহলে পেছনে ফিরে তাকাও।আমাকে দেখতে পাবে ।
মুন্তাসির সাথে সাথে ঘাড় ঘুরিয়ে নিল । এ কি ! আদ্রিয়ানা ! ও দৌড়ে ছুটে গেল । আদ্রিয়ানা কান্না করছে । কথা বলার শক্তিটাও যেন হারিয়ে ফেলেছে । মুন্তাসির আর সহ্য করতে পারল না , জড়িয়ে ধরে বলল ,I love u , I love u ,I love u .
আদ্রিয়ানাও থেমে থাকবে কেন ! সেও বলে ফেলল , I love you too my life . . . .
যাক ! এতক্ষণে গল্পটার একটা ইতি টানা গেলো । গত ৩ ঘণ্টা ধরে লিখতে লিখতে আমি exhausted ! !
কিন্তু গল্প এখনও শেষ হয় নি ! কিছু বিষয় এখনও বাকি আছে । মূল কথা হল , মামার সম্পর্কে মুন্তাসিরের ধারণাটা ভুল ।মামা চাইতেন মুন্তাসির কোন সম্পর্কের জটিলতায় না পড়ুক,কারণ তিনি ভাগ্নেকে ঝুব ভালবাসতেন। কিন্তু আদ্রিয়ানার সাথে মুন্তাসিরের যে সম্পর্কটা হল সেটা কিন্তু মামারই একটা প্ল্যান । আর মুন্তাসির কিন্তু সেদিনের ফ্লাইট মিস করে নি ।কারণ তার ফ্লাইট ছিল আরও ৭ দিন পর । মামার ইশারাতেই সব কিছু ঘটে । তবে , মামা ও বাটা আছরেই –এই বাক্যটা কিন্তু সায়েম সাহেবের প্ল্যান এ ছিল না । ওটা প্রকৃতির একটা কারসাজি বৈ কিছু নয় ।
অবশেষে মামার কেরামতি শেষ হল , মুন্তাসির-আদ্রিয়ানা জুটি সুখে শান্তিতে বসবাস করতে লাগল এবং আমার গল্প ফুরাল। হাঁফ ছেড়ে বাঁচলাম সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর ! ! ! !

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন